রাষ্ট্রের নৈতিকতা অনেক সময় ভোটের অঙ্কে মাপা হয়। সমকামীদের ক্ষেত্রে সেটাই হচ্ছে। তারা সংখ্যায় কম। সংগঠিত না। কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তি না। ফলে তাদের জীবন রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তালিকায় পড়ে না।
হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্র যে ভাষা ব্যবহার করে, তা আসলে ভোটের ভাষা।
“সংবেদনশীল বিষয়।”
“সামাজিক বাস্তবতা।”
“ধর্মীয় অনুভূতি।”
এই শব্দগুলোর মানে একটাই—আমরা শক্ত অবস্থান নেব না, কারণ এতে রাজনৈতিক ঝামেলা হবে।
রাষ্ট্র জানে, সমকামীদের পক্ষে দাঁড়ালে কিছু গোষ্ঠী ক্ষুব্ধ হবে। তাই দাঁড়ায় না। চুপ থাকে। এই চুপ থাকাই খুনিকে সাহস দেয়।
রাষ্ট্রের কাজ সংখ্যাগরিষ্ঠকে খুশি করা না। রাষ্ট্রের কাজ দুর্বলকে রক্ষা করা। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র উল্টোটা করছে। শক্তের পাশে দাঁড়াচ্ছে, দুর্বলের মৃত্যু মেনে নিচ্ছে।
এটা ভুল না। এটা সিদ্ধান্ত।