তোমাদের ভণ্ডামি এখন দেশের সামনে নগ্ন হয়ে গেছে
মনোহর গন্জে যারা নাচ–গান বন্ধ করতে চায়,
নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না,
সমকামী মানুষকে হত্যা করতে চেঁচায়,
আর নিজেরা বহু বিবাহকে ধর্মীয় ঢাল বানায়—
আজ তাদের জন্য একটাই কথা:
তোমরা মানুষকে নয়, মানুষ তোমাদের বিচার করছে।
—
🔥 ১. নাচ–গান তোমাদের শত্রু নয়—শত্রু হলো তোমাদের সীমাহীন অক্ষমতা
মানুষ নাচে—তোমাদের রাগ।
মানুষ গান গায়—তোমাদের ঈমান নড়ে।
মানুষ আনন্দ করে—তোমাদের সিংহাসন কাঁপে।
কারণ তোমরা জানো—
যেখানে মানুষ স্বাধীন, সেখানে তোমাদের ভয়-রাজনীতি অচল।
—
🔥 ২. নারীর স্বাধীনতা দেখলেই তোমাদের ‘ধর্মীয় মাথাব্যথা’ শুরু হয়
নারী মঞ্চে উঠলেই “অশ্লীল”!
নারী গান গাইলেই “হারাম”!
নারী নিজের ইচ্ছায় বাঁচলেই “সমাজ ধ্বংস”!
তোমাদের সমস্যা নারীর পোশাক নয়—
সমস্যা হলো নারীর আত্মবিশ্বাস।
সেটা তোমরা সহ্য করতে পারো না।
এদিকে নিজেরা?
এক বিয়েতে মন ভরে না—
দুই, তিন, চার…
সেটা নাকি “ধর্মীয় অধিকার”!
আসল নাম বলি?
নিয়ন্ত্রণ-লোভ। নারীকে মালিকানায় রাখার রোগ।
—
🔥 **৩. সমকামী মানুষকে হত্যার হুমকি?
এটা তোমাদের ভয়, তোমাদের দুর্বলতা, তোমাদের দেউলিয়াপনা**
একজন মানুষ নিজের সত্যিকারের পরিচয়ে বাঁচলেই তোমাদের গায়ের চামড়া জ্বলে ওঠে!
কারণ—
তারা স্বাধীন
তোমরা শৃঙ্খলবদ্ধ
তারা ভালোবাসে
তোমরা ঘৃণা ছড়াও
তারা সত্যিকারের মানুষ
আর তোমরা মুখোশধারী ধার্মিক
মানুষের অস্তিত্ব হত্যা করতে চাওয়া মানে—
তোমরা যুক্তিতে হেরে গেছ, মানবতায় হেরে গেছ, সভ্যতায় হেরে গেছ।
—
🔥 **৪. বহু বিবাহ তোমাদের কাছে হালাল,
কিন্তু মানুষের গান–নাচ হারাম?
এই ভণ্ডামিতে ঘৃণাও লজ্জা পায়**
নারী নিজের ইচ্ছায় গান গাইলে পাপ,
কিন্তু তোমাদের বহু বিবাহ—তাও আবার দম্ভ করে বলো?
এটাই তোমাদের মুখোশ—
একদিকে নৈতিকতার বক্তৃতা,
অন্যদিকে ক্ষমতার লোভ, শরীরের মালিকানা,
আর ধর্মের নামে ব্যক্তিগত আনন্দের লাইসেন্স।
—
🔥 শেষ আক্রমণ—সোজা কথা, মিশুক নয়
মনোহর গন্জের মানুষ নাচবে,
গান গাইবে,
ভালোবাসবে,
নিজের পরিচয়ে বাঁচবে—
তোমরা না চাইলে কি পৃথিবী থেমে যাবে?
তোমাদের ফতোয়া যত উঁচু,
মানুষের স্বাধীনতা তার থেকেও উঁচু।
তোমাদের ঘৃণা যত ছড়াও,
বাংলাদেশের আলো তার চেয়েও দ্রুত ছড়ায়।
তোমরা যত চেঁচাও,
মানুষ তত বুঝে—
তোমরা ভয় পাচ্ছো।
এবং ভীত লোকেরা কখনও সমাজের অভিভাবক হতে পারে না।