মৌলবাদ চায় মানুষ ভয় পেয়ে থাকুক।
লেখা চায় মানুষ বুঝুক।
এই দুইটা একসাথে চলতে পারে না।
একটা লেখা যখন বলে—
“সমকামী মানে মানুষ”,
তখন মৌলবাদী যুক্তি ভেঙে পড়ে।
তারা এতদিন বলেছে—
“ওরা বিকৃত।”
“ওরা শত্রু।”
“ওরা সমাজ নষ্ট করছে।”
একটা কলাম এইসব কথা ভেঙে দেয়।
কারণ লেখা প্রশ্ন তোলে—
“কী প্রমাণ?”
“কোথায় ক্ষতি?”
“কেন ঘৃণা?”
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মৌলবাদীদের নেই।
তাই তারা প্রশ্ন থামাতে চায়,
লেখা থামাতে চায়,
শিক্ষককে ভয় দেখাতে চায়।
কারণ শিক্ষক মানে প্রশ্ন তৈরির কারখানা।
একজন শিক্ষক লিখলে
সে শুধু নিজের কথা বলে না,
সে একটা প্রজন্মের কানে কথা বলে।
এই কারণেই তারা লেখাকে
রাষ্ট্রদ্রোহ মনে করে,
নৈতিক অপরাধ মনে করে,
ধর্মদ্রোহ মনে করে।
আসলে তারা লেখাকে
ক্ষমতাদ্রোহ মনে করে।