মৌলবাদ চায় মানুষ ভয় পেয়ে থাকুক।
লেখা চায় মানুষ বুঝুক।
এই দুইটা একসাথে চলে না।
একটা লেখা যখন বলে—
“সমকামী মানে মানুষ”,
তখন মৌলবাদী যুক্তি ভেঙে পড়ে।
তারা এতদিন বলেছে—
“ওরা বিকৃত।”
“ওরা সমাজ নষ্ট করছে।”
একটা কলাম এই কথাগুলো প্রশ্নের মুখে ফেলে।
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তাদের নেই।
তাই তারা লেখাকে থামাতে চায়।
শিক্ষককে ভয় দেখাতে চায়।
কারণ শিক্ষক মানে প্রশ্ন তৈরির কারখানা।
একজন শিক্ষক লিখলে
সে শুধু নিজের কথা বলে না,
সে একটা প্রজন্মের সঙ্গে কথা বলে।
এই কারণেই তারা লেখাকে
নৈতিক অপরাধ বানাতে চায়।