সমকামীদের হত্যার পর প্রায়ই শোনা যায়—“সমাজ মানে না”, “ধর্মীয় অনুভূতি আছে।” প্রশ্ন হলো, ধর্ম কি খুনের অনুমতি দেয়? মানুষ কুপিয়ে মারা কি কোনো ধর্মের শিক্ষা?
কিন্তু রাষ্ট্র ধর্মকে ঢাল বানায়। স্পষ্ট করে বলে না, “এই খুন অপরাধ।” বরং বলে, “বিষয়টি জটিল।” এই জটিলতার মানে—খুনকে স্পষ্টভাবে নিন্দা করা হবে না।
ধর্মের নামে যখন ঘৃণা তৈরি হয়, তখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয় দাঁড়ানো। কিন্তু রাষ্ট্র দাঁড়ায় না। কারণ দাঁড়ালে রাজনৈতিক ঝুঁকি আছে। ফলে ধর্ম হয়ে ওঠে খুনের অজুহাত।
রাষ্ট্র যদি সত্যিই ধর্মের মর্যাদা রক্ষা করতে চাইত, তাহলে বলত—মানুষ হত্যা কোনো ধর্মসম্মত কাজ না। কিন্তু রাষ্ট্র সেটা বলে না।
এটা ধর্মীয় সমস্যা না। এটা রাজনৈতিক কাপুরুষতা।