মৌলবাদীরা বন্দুক নিয়ে চলে,
কিন্তু তারা কলমকে ভয় পায়।
কেন?
কারণ বন্দুক শরীর মারে।
কলম মারে ভয়কে।
একজন শিক্ষক যখন লেখেন—
“সমকামী হওয়া অপরাধ না”—
এই বাক্যটা একজন ছাত্রের মাথায় ঢুকে যায়।
আর ঢুকে গেলে আর বের হয় না।
এইটাই মৌলবাদীদের সমস্যা।
তারা চায়—
একটাই গল্প চলুক।
একটাই ব্যাখ্যা চলুক।
একটাই জীবনপথ চলুক।
কিন্তু লেখা বলে—
“না, জীবন একরকম না।”
তাই তারা বলে—
“এই লেখা বন্ধ করো।”
“এই কথা বলা যাবে না।”
“এই মানুষদের নিয়ে কথা বলা হারাম।”
কারণ তারা জানে—
আজ সমকামী নিয়ে লেখা পড়বে,
কাল নারী নিয়ে প্রশ্ন উঠবে,
পরশু ধর্মের নামে সহিংসতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।
লেখা হলো ডোমিনোর প্রথম টুকরো।
শিক্ষক যদি লেখে,
তাহলে ছাত্র পড়ে।
ছাত্র পড়লে ভাবতে শেখে।
ভাবতে শিখলে ভয় কমে।
আর ভয় কমলেই মৌলবাদ দুর্বল হয়।
এই জন্যই তারা লেখাকে শত্রু মনে করে।