এই প্রশ্নটা আজ বাংলাদেশের মতো দেশে শুধু তাত্ত্বিক প্রশ্ন না, এটা রাজনৈতিক প্রশ্ন।
মানুষের অধিকার নিয়ে লিখলে এখন জবাব আসে—
“তুমি ধর্মবিরোধী।”
“তুমি ঈশ্বরের শত্রু।”
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
কোন ধর্ম বলে মানুষকে অপমান করতে?
কোন ধর্ম বলে ভিন্ন পরিচয়ের কারণে কাউকে মারতে?
কোন ধর্ম বলে মতপ্রকাশ দমন করতে?
বাংলাদেশে সংবিধান বলছে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি—
সমকামী, নাস্তিক, নারী অধিকারকর্মী বা ভিন্নমতাবলম্বী মানুষদের বিরুদ্ধে হুমকি, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে।
২০১৬ সালে ঢাকায় LGBT অধিকারকর্মী ও একটি ম্যাগাজিনের সম্পাদককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছিল।
এই ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ না; এটি একটি বার্তা ছিল—
“ভিন্নভাবে বাঁচলে মরতে হবে।”
যখন কেউ লিখে—
“এই মানুষগুলোর নিরাপত্তা চাই,”
তখন তাকে বলা হয় ধর্মবিরোধী।
এই কৌশলটা নতুন না।
ইতিহাসে দেখা গেছে—
ধর্মকে ঢাল বানিয়ে সহিংসতাকে বৈধ করার চেষ্টা বহুবার হয়েছে।
মানুষের পক্ষে লেখা মানে ধর্মের বিপক্ষে লেখা নয়।
এটা ধর্মের নামে নিষ্ঠুরতার বিপক্ষে লেখা।
এই পার্থক্য না মানা মানে ধর্মকে ক্ষমতার হাতিয়ার বানানো।